Author Topic: উদ্ভাবনী প্রকল্পে সরকারি টাকা পেয়েছে কারা?  (Read 2223 times)

monowarkamal

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 130
  • Karma: +0/-0
    • View Profile
উদ্ভাবনী প্রকল্পে সরকারি টাকা পেয়েছে কারা?

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবনী কাজ ও উচ্চ শিক্ষার জন্য সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ বিভিন্ন প্রকল্পে অনুদান দিয়েছে। ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১১৮টি উদ্ভাবনী প্রকল্পে ৯ কোটি ৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অনুদান পাওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামগুলো নিচে তুলে ধরা হলো—

২০১৩-১৪ অর্থবছরে উদ্ভাবনী প্রকল্পে অনুদান পেয়েছে ১৫টি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে প্রথম রাউন্ডে ছয় ও দ্বিতীয় রাউন্ডে ৯ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। ওই অর্থবছরে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয় ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা।
প্রথম রাউন্ডে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ১০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্প দেখিয়ে দুই লাখ টাকা অনুদান বরাদ্দ পায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, ইউনিভার্সাল মিটার রিডার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভলপমেন্ট-বিষয়ক সফটওয়্যার তৈরির প্রকল্প দেখিয়ে সূর্যমুখী লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পায় এক লাখ ৯৫ হাজার টাকা, বিপন্ন গাছের ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি এবং বিভিন্ন তথ্যসমৃদ্ধ একটি পোর্টাল তৈরির প্রকল্প দেখিয়ে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ পায় ইডেনগ্রেড প্লান্টস অ্যান্ড অ্যানিমেলস কনজারভেশন ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
এ ছাড়া ওষুধের নামসংবলিত একটি ওয়েব পোর্টাল তৈরির প্রকল্প দেখিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের রেজওয়ান-উল-হক নামের একজন দুই লাখ টাকা, কম্পিউটার ভিশন সিস্টেম ফর অটোমেটিক গ্রেডিং ম্যাংগো ফ্রুটস নামে একটি প্রকল্প দেখিয়ে এক লাখ ৭৪ হাজার টাকা বরাদ্দ পান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মমিন। প্রথম রাউন্ডে সর্বশেষ এক লাখ ৯ হাজার টাকা বরাদ্দ পান খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সহকারী অধ্যাপক ড. পল্লব কুমার চৌধুরী।
একই অর্থবছরের দ্বিতীয় রাউন্ডে মোট উদ্ভাবনী প্রকল্পে ৯ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয় ৭৮ লাখ ১৭ হাজার ৩০০ টাকা। এর মধ্যে আইরেইস টেকনোলজি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পায় ১৭ লাখ ৮২ হাজার, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহকারী অধ্যাপক রেহানা নাসরিন বরাদ্দ পান দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা, বুয়েটের অপর সহকারী অধ্যাপক এবিএম আলিম আল ইসলাম বরাদ্দ পান তিন লাখ ৯০ হাজার ৩০০ টাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকী পান ১৩ লাখ ৫ হাজার টাকা, কুয়েটের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান দুই লাখ ৪৫ হাজার টাকা, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নোভা আহমেদ পান ১০ লাখ টাকা, সূর্যমুখী লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান এক লাখ ৯৫ হাজার টাকা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আহসানুল কবির বরাদ্দ পান ১৭ লাখ টাকা এবং এমসিসি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সানী মো. আশরাফ খান বরাদ্দ পান ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এদের মধ্যে সূর্যমুখী লিমিটেড একই অর্থবছরের প্রথম রাউন্ডে একবার অর্থ বরাদ্দ পেয়েছিল।
দ্বিতীয় রাউন্ডে আইরেইস টেকনোলজি লিমিটেড একটি যন্ত্র তৈরির প্রকল্প দেখিয়েছিলেন রেহেনা নাসরিন। আইসিটি যন্ত্রাদি ও টুলস বা সফটওয়্যার ব্যবহার করে মডেলিং করে টুবুলার রিঅ্যাক্টরের থিওরেটিক্যাল মডেল করার কথা বলেছেন। সেই সঙ্গে আলিম আল ইসলাম দুটি ওয়ার্কশপ করার প্রকল্প দেখিয়েছিলেন, আব্দুর রাজ্জাকী সফটওয়্যার ড্রাইভেন-বিষয়ক একটি ব্যবস্থার কথা বলেছিলেন, নাজমুল রোভ নামে একটি প্রকল্পের কথা বলেছিলেন, নোভা আহমেদ ফসল রোগ নির্ণয়ে একটি মোবাইল অ্যাপস তৈরির কথা জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া সূর্যমুখী নামে প্রতিষ্ঠানটি পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ প্রোডাকশন মনিটরিং অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট নামে একটি প্রকল্প তৈরির কথা বলেছিল এবং আশরাফ খান দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য মোবাইল বেসড রেজাল্ট ডেলিভারি অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম তৈরির কথা বলেছেন।

২০১৪-১৫ অর্থবছর
২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম রাউন্ডে ছয়টি, দ্বিতীয় রাউন্ডে ১১টি, তৃতীয় রাউন্ডে ৯টি প্রকল্পে মোট দুই কোটি ৬১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম রাউন্ডে বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ চার কিস্তিতে পায় ২০ লাখ, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের এবিএম আলিম আল ইসলাম তিন কিস্তিতে ১৫ লাখ, মার্চ ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড আইটি নামে একটি প্রতিষ্ঠান দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, শাখাওয়াত হোসাইন তিন কিস্তিতে ৯ লাখ ৬৯ হাজার, বেঙ্গল প্লান্টস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট তিন কিস্তিতে ৯ লাখ, রাফুসফট নামে একটি প্রতিষ্ঠান দুই কিস্তিতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ পায়।
দ্বিতীয় রাউন্ডে সেন্টার ফর চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পায় এককালীন ১০ লাখ টাকা, আইসিএবি নামে একটি প্রতিষ্ঠান পায় এককালীন ১৫ লাখ টাকা, সেনাবাহিনী পরিচালিত বিএইউইটি এককালীন ২০ লাখ, বাংলাদেশ স্কুল মসকট নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পায় এককালীন পাঁচ লাখ, বুয়েটের অধ্যাপক ড. আবু সাইদ মো. লতিফুল হক পান তিন কিস্তিতে ১৫ লাখ, ওয়াশিক ফারহান রূপকথা পান দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. হাফিজ মো. হাসান দুই কিস্তিতে ১৫ লাখ, স্বদেশ উন্নয়ন কেন্দ্র নামে একটি প্রতিষ্ঠান এককালীন সাত লাখ, অমিত সিয়েল অমি নামে একজন পান দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ, নিকুঞ্জ নারী উন্নয়ন সংস্থা পায় দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ এবং ফ্যালকন টেকনোলজিস বিডি নামে একটি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পায় এককালীন পাঁচ লাখ টাকা।

একই অর্থবছরের তৃতীয় রাউন্ডে মো. মোনাউরুল ইসলাম দুই কিস্তিতে আট লাখ, চিত্তরঞ্জন সরকার এককালীন পাঁচ লাখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, ম্যাসিভ স্টুডিও লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান দুই কিস্তিতে ২০ লাখ, সূর্যমুখী লিমিটেড দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, অমিত কুমার দাস দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ, অ্যাপলম্ব টেক বিডি নামে একটি প্রতিষ্ঠান এককালীন পাঁচ লাখ, মো. রঞ্জু ইসলাম নামে একজন এককালীন পাঁচ লাখ এবং ডি-আইটি ইন্টেলিজেন্স লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান দুই কিস্তিতে আট লাখ টাকা বরাদ্দ পায়।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট ৭৭টি প্রকল্পকে অনুদান দেওয়া হয়। এই অর্থবছরে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয় (বিশেষ অনুদানসহ) পাঁচ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
এই অর্থবছরের প্রথম রাউন্ডে সেইসনেট.নেট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পায় দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, ইজি টেকনোলজি দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, রুপম আইটি লিমিটেড দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, আইকন সফটওয়্যার দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, অ্যাডভান্স রোবটিক রিসার্চ কোম্পানি বাংলাদেশ দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, গায়ক প্রীতম আহমেদ দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্ট (বিএফউজে) দুই কিস্তিতে ২০ লাখ, এবিএম আলিম আল ইসলাম দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ইমরান হাসান দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, আইসিএলএবিএস নামে একটি প্রতিষ্ঠান দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ, নেক্সট জেন কমিউনিকেশন দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ, সেন্টার ফর প্রফেশনাল সার্ভিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট দুই কিস্তিতে আট লাখ এবং সেইসটেক ডিজিটাল লিমিটেড দুই কিস্তিতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ পায়।

দ্বিতীয় রাউন্ডে ১৮টি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেওয়া হয়। এর মধ্যে বিগ ব্যাং কম্পিউটার লিমিটেড এককালীন তিন লাখ, রেজওয়ান-উল-হক নামে এক শিক্ষার্থী এককালীন দুই লাখ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান এককালীন তিন লাখ, মো. আশরাফুল হক এককালীন দুই লাখ, তথ্যসেবা বার্তা সংস্থা এককালীন ১২ লাখ, ইনফরমেশন টেকনোলজি সোসাইটি এককালীন তিন লাখ, দুরবিন ল্যাবস এককালীন তিন লাখ, সাংবাদিক মুন্নি সাহা দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ, আমিরুল ইসলাম এককালীন এক লাখ, মাশা মুস্তাকিম এককালীন ২০ লাখ, আগামী ফাউন্ডেশন দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, আইটিলিংক করপোরেশন এককালীন দুই লাখ, জুবায়ের হোসাইন এককালীন পাঁচ লাখ, তাউরি ফাউন্ডেশন দুই কিস্তিতে ১৫ লাখ, ইজি টেকনোলজিস লিমিটেড এককালীন তিন লাখ, ডিনেট দুই কিস্তিতে ১৫ লাখ এবং দ্য মাইটি বাইট লিমিটেড এককালীন ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পায়।
এ ছাড়া দ্বিতীয় রাউন্ডে বিশেষ অনুদানও দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৯৭১: গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টের জন্য এককালীন পাঁচ লাখ, জাতীয় প্রেসক্লাবের জন্য এককালীন তিন লাখ এবং অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের জন্য এককালীন তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
একই অর্থবছরের তৃতীয় রাউন্ডে ১৫টি উদ্ভাবনীমূলক প্রকল্পে অনুদান দেওয়া হয়। এর মধ্যে ড. নাবিল মোহাম্মদকে এককালীন তিন লাখ ৫০ হাজার, অমিত দেবনাথ নামে একজন শিক্ষার্থীকে দুই কিস্তিতে আট লাখ, ড্রিম ৭১ বাংলাদেশ লিমিটেডকে দুই কিস্তিতে সাত লাখ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম মশিউর রহমানকে দুই কিস্তিতে আট লাখ, এমএমআরসি টেকনোলজি লিমিটেডকে এককালীন পাঁচ লাখ, সিগমা আইটি ইনস্টিটিউটকে তিন কিস্তিতে ৯ লাখ, বায়নারি কুইস্ট লিমিটেডকে এককালীন পাঁচ লাখ, বিআইটিইসি সফটওয়্যার নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এককালীন পাঁচ লাখ, একপনেন্ট সলিউশন লিমিটেডের বিপণন বিভাগের মো. নাফিজ মাহমুদকে এককালীন পাঁচ লাখ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সানি জুবায়েরকে এককালীন এক লাখ, দ্য ম্যাসেঞ্জার নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে দুই কিস্তিতে ছয় লাখ, সফটবিনকে এককালীন পাঁচ লাখ, তানভির তাবাসসুকে দুই কিস্তিতে আট লাখ, ড. হাসান সারওয়ার ও শারমিন নাহারকে তিন কিস্তিতে ১২ লাখ এবং ডিজিল্যাব লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. হাফিজুর রহমানকে তিন কিস্তিতে ৯ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।
তৃতীয় রাউন্ডে আরও ২৮টি প্রকল্পে বিশেষ অনুদান দেওয়া হয়। এর মধ্যে সাতকানিয়া কমিউনিটি ই-সেন্টারকে এককালীন তিন লাখ, ইফতেখার হোসাইনকে এককালীন পাঁচ লাখ, অ্যাডমিয়ার ইরফরমেটিক্স লিমিটেডকে দুই কিস্তিতে ২০ লাখ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জাকারিয়াকে দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, রেশ ফাউন্ডেশনকে এককালীন পাঁচ লাখ, বাংলাদেশ লেবার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনকে এককালীন পাঁচ লাখ, ডিভাইন টেকনোলজিস লিমিটেডকে দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজাবিলিটিকে দুই কিস্তিতে ১২ লাখ, বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসক নুরুন্নবী চৌধুরীকে দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. সালমা বেগমকে দুই কিস্তিতে ১০ লাখ, গল্পকবিতা.কমকে এককালীন পাঁচ লাখ, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ককে দুই কিস্তিতে ২০ লাখ, ইমপ্লিভিসতা বিডিকে দুই কিস্তিতে আট লাখ, মো. শামীম আহমেদ লিমনকে দুই কিস্তিতে ১০ লাখ , নাসিম উল হককে দুই কিস্তিতে আট লাখ, বিডিরেটস হোল্ডিং লিমিটেডকে দুই কিস্তিতে আট লাখ, র‍্যাপিডো ডেলিভার্সকে এককালীন চার লাখ, ফেমাস সার্ভিসিং সেন্টারকে এককালীন তিন লাখ, রাইজ উদ্দিন চৌধুরী নামে এক শিক্ষার্থীকে এককালীন পাঁচ লাখ, ফারহাত শাহিয়ার জীম নামে এক শিক্ষার্থীকে এককালীন পাঁচ লাখ, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে এককালীন পাঁচ লাখ, ইমতিয়াজ হানিফকে এককালীন আড়াই লাখ, কুয়েটের জাহিদুর রহমানকে এককালীন দুই লাখ ৭২ হাজার, মো. হাসিব মাহমুদ রাব্বিকে এককালীন দেড় লাখ, মাসনুর রহমানকে এককালীন দেড় লাখ, সৈয়দ আল মাহমুদকে এককালীন দুই লাখ, তন্ময় কুমার ঘোষ নামে এক শিক্ষার্থীকে এককালীন দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।তথ্যসূত্র: প্রিয় ডটকম। 
https://www.techjano.com/%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF/