Author Topic: Investment, Fund and Entrepreneurs' Thought  (Read 233 times)

Rashadul Islam

  • Administrator
  • Newbie
  • *****
  • Posts: 39
  • Karma: +0/-0
    • View Profile
Investment, Fund and Entrepreneurs' Thought
« on: March 11, 2018, 09:55:25 PM »
Quote
Writer: জাহাঙ্গীর আলম শোভন



গত ২০১৭ সালের শেষের দিকে আমি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। যার সারমর্ম ছিলো বিনিয়োগ পরিস্থিতি অনুধাবন করা। মোট ১২ টি প্রশ্ন দিয়ে আমি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সক্ষমতা ও তাদের চাহিদা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছিলাম। এরমধ্যে ১০৬ জন গুগল ফর্মে জবাব দিয়েছেন। এর মধ্যে আবার ৭ জন আছেন যারা ২ বার আবেদন করেছেন। ফলে সংখ্যা দাড়ালো ৯৯ জন। এই ৯৯ জন তরুন উদ্যোক্তার জবাবের আলোকে আমি পুরো চিত্রটা তুলে ধরছি। কারণ আমি বলেছিলাম এই চিত্রটা আমি প্রকাশ করবো।

এর মধ্যে ৬৩ জন আবেদন করেছেন ঢাকা থেকে, এখানে আমি নারায়নগঞ্জ ও গাজীপুরকে ঢাকার মধ্যে গণনা করেছি। বাকী ৪৬ জন ঢাকার বাইরে থেকে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, পাবনা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ প্রভৃতি জেলার লোক রয়েছেন। অন্যান্য জেলার মধ্যে ছিলো-যশোর কুস্টিয়া, নরসিংদী,রংপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ, নোয়াখালী ও চুয়াডাঙ্গা, এর মানে হচ্ছে বেশীরভাগ প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ ভাগ উদ্যোগ আমরা ঢাকা কেন্দ্রীক চিন্তা করছি। ঢাকায় আরো ভীড় বাড়ার একটা সম্ভাবনা এখানে রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে ঢাকাতেই সব সুবিধা পুঞ্জিভূত করে ঢাকার ভালো হচ্ছে নাকি খারাপ হচ্ছে, সেটা সময় বলে দেবে।

শতকরা ৯৫ জন নিজের ব্যবসার জন্য পুরণ করেছেন। কয়েকজন ম্যানেজিং পার্টনারও রয়েছেন। এই তথ্য থেকে এটা বুঝেছি যে বেশীরভাগ ছোট উদ্যোগগুলো একক ও একব্যক্তি কেন্দ্রীক। ফলে চিন্তাও এক মাথা এবং প্রোডাক্টস, আইডিয়া কিংবা ফান্ড সোর্সিং এর নেটওয়ার্কও একটাই। যদি ৫/১০ জনের উদ্যোগে হতো তাহলে সম্ভাবনাও ৫ গুন বেশী হতো। যদিও আমাদের দেশে আমাদের সঠিক সিদ্ধান্তের অভাবে এবং ছোট বড় ভুলের কারণে অনেকে পার্টনারশীপ ব্যবসায় করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।

ব্যবসার ধরণ সম্পর্কে জবাব দিতে গিয়ে ৩৬ জন তাদের ব্যবসায় অনলাইন, আইটি বা ই-কমার্স বলে উল্লেখ করেছেন বাকীগুলোর বেশীরভাগ পণ্যভিত্তিক এর মধ্যে বেশীভাগই ছিলো ফ্যাশনওয়ার। এছাড়া আমদানী, রফতানী, ফুড, কাঠপণ্য, খুচরা পণ্য, হেলথ, ইনটেরিয়র, কৃষি, লুব্রিকেন্ট, প্রোল্ট্রি, পরিবহন, হ্যান্ডিক্রাফটস, মেশিনারী, সাপ্লাই, কমুউনিটি ব্যাংকিং, গার্মেন্টস, হোটেল বুকিং, তাঁত পন্য, আইএসপি ইত্যাদি রয়েছে। পণ্যের মধ্যে ছিলো কৃষি পণ্য, বই, গরুর খাদ্য, ইলেকৈট্রিক পণ্য, বাই সাইকেল, ঔষধ, প্রিন্টিং পন্য, কম্পিউটার এক্সেসরিজ, পাথর, সুয়েটার, তেল ও মসলা, সোলার পন্য, অর্গানিক খাবার, গ্যাজেট, বেডশীট, টি শার্ট, এলইডি লাইট, বাঁশের তৈরী পন্য, কসমেটিকস ইত্যাদি।

কি ধরনের আর্থিক সহযোগীতা প্রয়োজন, এই প্রশ্নের জবাবে ৫৫ ভাগ বলেছেন কিস্তিতে পরিশোধ করা যায় এমন লোন, ১০ ভাগ রেসপন্ডার বলেছেন এককালীন পরিশোধের কথা আর ১৭ ভাগ লোক ব্যাংক লোক চেয়েছেন। মানে হলো ব্যাংক লোন নিয়ে যতই ভয়ভীতি থাকুক। অনেকে ব্যাংক লোন চায়। তবে মনে হলো ভেনঞ্চার ক্যাপিটাল বা ভেনঞ্চার পার্টনার সম্পর্কে সাড়াদানকারীদের ধারণা বেশী নেই।

কোন শর্তে বিনিয়োগ করতে চান? এই প্রশ্নের জবাবে লোন হিসেবে নিতে চেয়েছেন শতকরা ৫২ জন, লভ্যাংশ শেয়ারের ভিত্তিতে বিনিয়োগ নিতে চেয়েছেন ২৭ জন, বিনিয়োগ কারীর সাথে মালিকানাও শেয়ার করতে চেয়েছেন ১৪ জন। এর মানে হলো বেশীরভাগ মানুষ তার স্বপ্নকে কারো সাথে ভাগ করতে চাননাতবে ১৪শতাংশ উদ্যোক্তা মালিকানা শেয়ার করতেও রাজি। মনে হচ্ছে তারা হয়তো বুদ্ধিমান নয়তো বা একটু সরল আছেন।

বিনিয়োগ কারীর কাছ থেকে কমবেশী ৫০ ভাগ বিনিয়োগ চান ২৮ শতাংশ উত্তরদাতা, ২০ থেকে ৪০ ভাগ বিনিয়োগ চান ২৫ শতাংশ উদ্যোক্তা, ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ বিনিয়োগ চান ২০ শতাংশ উদ্যোক্তা। এতে করে বোঝা গেল বেশীরভাগ উদ্যোক্তারই নিজের কিছু প্রস্তুতি রয়েছে। বাকীটুকু তারা কারো কাছ থেকে সহযোগিতা চান। তবে শতকরা ১০ জন পুরো বিনিয়োগটাই কারো কাছ থেকে প্রত্যাশা করেন।

আমরা জানি যে, বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য আমাকে বিনিয়োগকারীকে বোঝাতে হবে এবং সেটা সঠিকভাবে প্রেজেন্ট করতে জানতে হবে? এ ব্যাপারে কি ফলাফল বেরিয়েছে দেখুন।

বিনিয়োগ এর পরিকল্পনা প্রোফাইল তৈরী প্রসঙ্গে

১. বিনিয়োগ পেলে সেটা আমি কিভাবে কাজেলাগাবো পুরো প্লান প্রোফাইল তৈরী করা আছে…: ২৬%

২. পুরো বিষয়টি আমার মাথায় আছে। প্রয়োজনেডকুমেন্ট আকারে পেশ করতে পারবো।…: ৪৩%

৩. কিভাবে টাকা খরচ করবো বুঝিয়ে বলতেপারবো কিন্ত এতকিছু লিখে দিতে পারবনা।…: ২০%

৪. কোনো কনসালটেন্সি ফার্মের সাহায্য নিয়েপ্রাপ্ত টাকা কোন খাতে কিভাবে খরচ করবো… ৩%

৫. আসলে এ ধরনের প্লান কিভাবে লিখতে হয়জানি না। যদি কোনো ওয়ার্কশপের মাধ্যমে শিখিয়ে দিলে ভালো হয়.. ৮%

মজার ব্যাপার হলো প্রতি ৩ জন লোকের মাত্র একজন বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য তৈরী হয়ে আছেন বাকীরা সময় হলে দেখা যাবে এই মত নিয়ে বসে আছেন। তাহলে দেখুন টাকা কেন আপনার কাছে আসবে। আপনি একটা পন্য বিক্রয় করতে গেলে ২০ জনকে বলার পর সুন্দর ভাবে দেখানো ও বোঝানোর পর একজন কিনে আর আপনি বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য কোনো প্রস্তুতিই নিচ্ছেন না। এখানেও আমরা যদি একই হিসেব করি। যে, ২০ জন বিনিয়োগকারীকে প্লান এবং প্রেজেন্টশান দেখালে একজন হয়তো রাজি হবে। তাহলেও আমাদের জন্য ভালো হয়। কারণ আমার ক্রেতা প্রতিমাসে ১০০০ জন দরকার হতে পারে কিন্তু বিনিয়োগকারী দরকার মাত্র একজন।

আবেদনকারীদের মধ্যে ১১ জনের বীমা ও সঞ্চয়পত্র আছে, ১৪ জনের নিজের নামে জমি বা প্লট আছে, ৫০ জনের নিজের কিছু নগদ টাকা আছে, ৮১ জন ইতোমধ্যে ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছেন, এরমধ্যে ৬৮ জন ব্যাংকে বিজনেস একানউন্ট করেছেন। ২ থেকে ৫ লাখ টাকার পে-অডার বা জামানত দিতে পারবেন ৬ জন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো সর্বশেষ প্রশ্নের জবাবে সবাই একই উত্তর দিয়েছেন। প্রশ্নটি ছিলো-

আপনার দেয়া এই ফরমের তথ্য সমূহ কোনো বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে দিতে পারি? যাতে তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। উত্তর: হাঁ ১০০%। সকলকে ধন্যবাদ।


source: http://blog.e-cab.net
« Last Edit: March 13, 2018, 12:26:52 PM by Rashadul Islam »


Regards,
Md. Rashadul Islam
Coordinator (Asst. Director)
Bangladesh Venture Capital Ltd.